এসপিবি.এন নিউজ – অনলাইন ডেস্ক: এই সমস্যা পুরোটাই মানসিক এবং সেটার কারণ মনে গেথে থাকা কিছু ভুল ধারণা। বিভিন্ন ভাবাবেগের বশে অনেকেই ভাবে যে বীর্যপাত একটি ক্ষতিকারক । বীর্যপাতের পর খারাপ লাগা এই ভুল ধারণা মূলত প্রাচীন আমলের কিছু নিয়ম-রীতি আঁকড়ে পড়ে থাকার মানসিকতার ফসল।

বার বার পর্যালোচনা করেও এমন কোন প্রমাণ পাওয়া যায়নি যে পরিমিত বীর্যপাতে শরীরের বা মনের কোন ক্ষতি হয়। আপনি যদি মিলনের সময় বীর্যপাত না করেন তাহলে ওই বীর্য হয় স্বতঃস্ফূর্ত বীর্যস্খলনের মাধ্যমে বেরিয়ে আসবে নতুবা ভেঙ্গে গিয়ে পুণরায় শরীরে শোষিত হবে।

তবে শরীরে শোষিত হলেও বীর্যে এতই কম পরিমাণে পৌস্টিক দ্রব্য থাকে যে তাতে শরীরের বিশেষ কোন উপকার হয় না। উল্টো পরিমিত বীর্যপাতে মানসিক শান্তি বজায় থাকে এবং তার থেকে যে প্রত্যক্ষ জ্ঞান লাভ হয় তাতে ভবিষ্যতে যৌন জীবন সুখকর হয়। কিছু কিছু ধর্মে বলা হয় যে শরীরের শ্রেষ্ঠ বস্তু দিয়ে নাকি বীর্য তৈরি, তাই অকারণে বীর্যপাত পাপ কাজ।

বাস্তব সত্য এটাই যে বীর্য প্রোটিন, শর্করা, ফ্যাট, জল এবং কিছু জীবিত কোষ (শুক্রাণু) সম্বলিত এক প্রকার সান্দ্র তরল যা বিবর্তনের ধারায় যৌন প্রজননের (sexual reproduction) মাধ্যমে বংশ বিস্তারের প্রয়োজনে সৃষ্টি হয়েছিল। বীর্যের প্রাথমিক কাজ “জেনেটিক তথ্য” এক প্রজন্ম থেকে অপর প্রজন্মে ট্রান্সফার করা। ওর সাথে শরীরের শ্রেষ্ঠ বস্তুর কোন যোগ নেই।

এটা মনে রাখবেন যে পরিমিত বীর্যপাত কোন ক্ষতিকারক বিষয় নয়। তবে অতিরিক্ত হস্তমৈথুন ও বীর্যপাত অবশ্যই অনুচিৎ। তাতে হস্তমৈথুন অভ্যাসে পরিণত হয় যার থেকে শীঘ্রপতন, যৌন অনুভুতি হ্রাস ইত্যাদি সমস্যা সৃষ্টি হতে পারে।

বীর্যপাতের প্রতি দৃষ্টিভঙ্গি বদলাতে পারলেই দেখবে ব্যাপারাটা কেমন উপভোগ্য হয়ে গেছে। পৃথিবীর অধিকাংশ যৌনসঙ্গমের মাধ্যমে বীর্যপাত করে আনন্দ অনুভব করে।

সূত্র: ইন্টারনেট