কিছু কথা ভিকারুন্নেসায় আসলে কি হয়েছে? আসল খবর আমরা কজন জানি। কিছু ছাগল বুদ্ধি প্রতিবন্ধী মেয়ের কথায় আমরা লাফাচ্ছি। ভিকারুন্নেসার শিক্ষা ব্যবস্থা আদৌ কি মানুষ বানানোর শিক্ষা ব্যবস্থা না পরিমলদের সুযোগ করে দেবার শিক্ষা ব্যবস্থা?

ভিকির মেয়েদের যে পরিমাণ স্বাধীনতা দেয়া হয় তা মেয়েদের বাহাল্লাপনা করার সুযোগ মাত্র। ভিকির মেয়েদের চরিত্র বিশ্লেশন করে যা জেনেছি এরা ভালো মার্ক্সের জন্য পরিমল কেন ৭০ বছরের বৃদ্ধের বিছানাতেও যেতে পারে। এর প্রমান ভিকির কিছু বিখ্যাত শিক্ষক যাদের অনেকেই মেয়েদের স্তনের উপর রেগ ডে এর শেষ সাইন করতে ভালোবাসেন। বিতর্ক এড়াতে আমি কারো নাম ম্যনশন করছি না। কিন্তু এগুলো তো বাংলাদেশের ভদ্রতার মাপ কাঠিতে পরে না। এর দিকে সরকার নজর দেবে না না দিয়ে শুধু পরিমলদের এক তরফা দোষ দেবে এটা মেনে নেয়াটা আমার মুক্তবদ্ধিতে কুলোয় না।

আমরা সবাই জানি এক হাতে তালি বাজে না। অই মেয়ের ইন্ধণ ছাড়া কি এটা সম্ভব হতো? কারণ প্রথমদিন ধর্ষিতা হবার পর মেয়েটি পরিবারের কাছে জানায় নি দ্বিতীয়দিন ধর্ষিত হবার পর সে তার পরিবারের কাছে জানায়। প্রশ্ন হচ্ছে কেন? মেয়েটির আগে তার ছেলেবন্ধুদের সাথে মিলিত হয়েছিলো কি না সেটা প্রশ্নে আসছে না। আসছে শুধু পরিমলের কথা। আমি স্বীকার করি পরিমল একজন পশুতুল্য মানুষ। তার কাজ ও জঘন্যের চেয়েও জঘন্য। কিন্তু এ অপ্রাদের জন্য মি পরিমল বা গভর্নিং বডি অথবা অধ্যক্ষা একাই দায়ী?

অবশ্যই নয়। আমাদের শিক্ষামন্ত্রী বলেছেন তৃতীয় পক্ষের ইন্ধন থাকতে পারে। আমি বলি আছে। আর এ পক্ষটি হলো আমাদেরে অতি সচেতন অবিভাবক সমাজ। যাদের কারণে আমাদের সামাজিক অবক্ষয় আজ এই মাত্রা পেয়েছে। যে স্কুলে শুধু মাত্র নারীবাদী দৃষ্টিভঙ্গি শিক্ষা দেয়া হয় সে খানে আর যাই বের হোক মানুষ বের হয় না। আবার পুরুষবাদী শিক্ষা ব্যবস্থার ক্ষেত্রেও ব্যপারটা সেম।

এর ফলে মেয়েদের মাঝে পুরুষের প্রতি ঘৃণা আর বিরক্তি সৃষ্টি হচ্ছে যা তার পরবর্তী জীবনে পুরুষ বিদ্বেশী মনোভাব সৃষ্টি করছে এবং বিবাহিত জীবনে ডিভোর্স পর্যন্ত গড়াচ্ছে। আর পুরুষের নারী বিদ্বেসী মনোভাব পারকীয়া আর অবাধ যৌনাচার এর দিকে নিয়ে যাচ্ছে। অল্প বয়সে এই আচরণ তাদের কে অস্বাভাবিক যৌন জীবনের দিকে নিয়ে যাচ্ছে। এর পরবর্তী প্রভাব হচ্ছে কর্মজীবনে পরিমল অথবা জাহাঙ্গীরনগরের নাম না জানা অনেক শিক্ষকের মতো অন্ধকার পথে যাত্রা। যার ফলাফল সবাই দেখছি।

এর থেকে প্রতিকারের উপায় হচ্ছে দৃষ্টিভঙ্গির পরিবর্তন ১ম শ্রেনী থেকেই যদি সকল স্কুলে কো এডুকেশন চালু করা যায় তা হলে পারস্পরিক শ্রদ্ধাবোধ গড়ে উঠবে ছেলে মেয়েদের মাঝে এর ফলে যে মানষিক দুরত্ত্ব আর বিপরীত লিঙ্গের প্রতি ঘৃণা থাকে তা কেটে উঠবে। তা না হলে আমাদের দেশে এই লাভ গুরু মসার্কা অনুষ্ঠান আর পরিমল জয়ধরদের জয়যাত্রায় চলতেই থাকবে। ছেলেমেয়েদের অবাধ মেলামেশার ফলে যে বন্ধুত্ত্বপুর্ণ পরিবেশ সৃষ্টি হবে তা তাদের পারিবারিক জীবনেও ভালো কাজ করবে। একতা মানুষ একটা মানুষকে সহজে বুঝতে শিখবে আর শ্রদ্ধাবোধ বাড়বে।

আরো অনেক কিছু বলা যেতো কিন্তু সময় স্বল্পতার জন্য বলতে পারছি না। ধন্যবাদ।