এসপিবি.এন নিউজ – অনলাইন ডেস্ক: সন্তান ভূমিষ্টের আগে ও পরে নারীদের ঋতুস্রাবের অনেক পরিবর্তন আসে, যার প্রভাবে অনেক কিছু বদলে যেতে শুরু করে। তারই একটি হল পিরিয়োড সার্কেল।

এ সময় অনেক মায়ের লাল রঙের ভেজাইনাল ডিসচার্জ হয়, যাকে অনেকে পিরিয়োড ভেবে ভুল করেন। আসলে এটা রক্ত আর মিউকাস।

বিশেষজ্ঞদের মতে, প্রসবের পর কোনো নিয়ম না মেনে যে কোনো সময় ঋতুস্রাব শুরু হয়ে যেতে পারে। এমনকি প্রথম পিরিয়ড, বাচ্চা জন্মানোর ৬-৭ সপ্তাহ পরেই হতে পারে। তবে এমনটা হলে চিন্তার কোনো কারণ নেই।

প্রসবের পর ঋতুস্রাবে পরিবর্তনের কারণ নিয়ে বোল্ডস্কাই বিশেষজ্ঞরা গবেষণা চালিয়েছেন।

তারা দেখেছেন, প্রসবের পর অনিয়মিত পিরিয়ডের পাশাপাশি অস্বাভাবিক রক্তক্ষরণ হয়ে থাকে। এমনটা হলে ভয় পাবেন না। এটা খুবই স্বাভাবিক একটি ঘটনা।

যদি ঋতুস্রাবের সময়কাল বাড়ে বা কমে তাহলেও চিন্তা করার কোনো কারণ নেই।

একাধিক গবেষণায় দেখা গেছে, প্রসবের পর কারও কারও পিরিয়ডের সময় খুব যন্ত্রণা হতে পারে। সেই সঙ্গে মাথা ঘোরা, অস্বাভাবিক ঘাম এবং খিটখিটে হয়ে যাওয়ার মতো লক্ষণ দেখা দিলে অযথা ভয় পাবেন না। প্রসবের পরে এমনটা হওয়া অস্বাভাবিক নয়।

গবেষকরা জানান, ব্রেস্টফিডিং চলাকালীন পিরিয়ড পিছিয়ে যেতে পারে। তবে একবার ব্রেস্টফিডিং-এক সময়কাল পেরিয়ে গেলে এমন সব অসুবিধা ধীরে ধীরে কমে যেতে শুরু করে।

এছাড়া প্রসব পরবর্তী সময়ে মায়ের হরমোনাল পরিবর্তন এবং ব্রেস্ট ফিডিংয়ের কারণে পিরিয়ডের সময়কাল পরিবর্তন হয়।

ব্রেস্ট ফিডিংয়ের সময়ে মায়ের শরীরে প্রলেকটিন নামে এক ধরনের হরমোন ক্ষরিত হয়, যে কারণে অনেক সময় পিরিয়ড সার্কেলে নানা পরিবর্তন আসে। তবে কিছু সময়ের পর থেকেই সব স্বাভাবিক হয়ে যায়।

সূত্র: যুগান্তর