এসপিবি.এন নিউজ – অনলাইন ডেস্ক: চলতি মাসের শুরুতে পিসিবি প্রধান শাহরিয়ার খান নিশ্চিত করেছিলেন, বাংলাদেশ সফরে আসছে পাকিস্তান। এপ্রিলের শেষটায় এসে নিলেন ইউ টার্ন। এর আগেও সফর নিয়ে টালবাহানা করা দলটি আসছে না বাংলাদেশে।

শাহরিয়ারের দাবি, দুই বোর্ডের পারস্পরিক সম্মতিতে অনির্দিষ্টকালের জন্য স্থগিত করা হয়েছে এই সফর। এবারের সফরে দুটি টেস্ট, তিনটি ওয়ানডে ও একটি টি-টোয়েন্টি খেলার কথা ছিল পাকিস্তানের। আইসিসি সভায় দুবাই যাওয়ার আগে সফর নিয়ে কোনো অনিশ্চয়তা না থাকার কথা জানিয়েছিলেন বিসিবি প্রধান নাজমুল হাসান।

এশিয়ান ক্রিকেট কাউন্সিলের সভা শেষে গত ২ এপ্রিল শ্রীলঙ্কার কলম্বোয় বাংলাদেশের সাংবাদিকদের নিশ্চিত করেছিলেন, জুলাই-অগাস্টে সফর করবে পাকিস্তান। বাংলাদেশের বিপক্ষে বাংলাদেশেই বা নিরপেক্ষ ভেন্যুতে দেশটির ঘরোয়া সিরিজ খেলার কথাও বলেছিলেন তিনি।

গত কয়েক বছর ধরেই বাংলাদেশকে পাকিস্তান সফরের জন্য চাপ দিয়ে যাচ্ছে পিসিবি। ইএসপিএন ক্রিকইনফোকে শাহরিয়ার আবারও এই বছর বাংলাদেশকে আতিথেয়তা দেওয়ার পরিকল্পনার কথা জানিয়েছেন।

“কোনো বিনিময় ছাড়া পাকিস্তান দুইবার বাংলাদেশ সফর করেছে। আমরা মনে করি, টানা তৃতীয়বার আমরা বাংলাদেশ সফরে যেতে পারি না। তাই আমরা সফর স্থগিতের সিদ্ধান্ত নিয়েছি। আগামী বছর বা অন্য সময়ে আমরা একটা উইন্ডো খুঁজবো।”

২০০৭-০৮ মৌসুমে সর্বশেষ পাকিস্তান সফরে গিয়েছিল বাংলাদেশ। এরপর দেশের মাটিতে তারা ২০১১-১২ ও ২০১৫তে দুইবার পাকিস্তানকে আতিথেয়তা দিয়েছে। চলতি বছর দুই ম্যাচের টি-টোয়েন্টি সিরিজের জন্য বাংলাদেশকে আমন্ত্রণ জানিয়েছিল পিসিবি। স্বাভাবিকভাবেই তাতে রাজি হয়নি বিসিবি।

২০১৫ সালে ‘টেকনিক্যালি’ নিজেদের ঘরোয়া সিরিজ খেলার দাবি তুলে বাংলাদেশ সফরের সময় ৩ লাখ ২৫ হাজার ডলার নিয়েছিল পাকিস্তান। চলতি বছর এই ধরনের সকল প্রস্তাব খারিজ করে দিয়েছে বিসিবি। পিসিবির সঙ্গে রাজস্ব বণ্টনে রাজি নয় তারা। তবে প্রয়োজনে নিরপেক্ষ ভেন্যুতে খেলার পথ খোলা রেখেছে বাংলাদেশ।

গত দুই বছরে বাংলাদেশ ছাড়াও ওয়েস্ট ইন্ডিজ, শ্রীলঙ্কা ও আয়ারল্যান্ড পাকিস্তান সফর করতে অস্বীকৃতি জানিয়েছে।