এ কথা বাস্তব, ‘চাইবার মতো চাইলে ওই চাওয়া কখনোই অপূর্ণ রাখেন না ঈশ্বর।’ আর সময়ের রূঢ় জটিলতার প্লাবনে প্লাবিত আমরা পরগাছা হয়ে সুন্দর কিছু মন চাইতেও অক্ষমপ্রায়। কিন্তু ওই অক্ষমতার বাধা টপকাতে হৃদয়ের ব্যাকুলতা এখনো বিশাল ঢেউ হয়ে প্রেরণা দেয় বলে টিকে আছি আমরা, মাথা উঁচিয়ে আছে ভালোবাসা। তাই তো আজ আপন মনের গভীর অনুভূতি লিখতে বসেছি কাগজ-কলম সম্বল করে। পাওয়ার মতো স্বপ্নটুকু সহজ কথায় প্রকাশ করে ওই স্বপ্নের পরিপূর্ণতার আকাঙ্ক্ষায় ভালোবাসার হাত প্রসারিত করতে। এ জন্য অক্ষরে প্রকাশমান ভাব দিয়ে একটি মনের মতো মেয়ের ভালোবাসার হৃদয় সপর্শ পাওয়ার ব্যাকুল চাওয়া তুলে ধরছি মনের জানালা ‘আপনাদের কলামে’।

শুধু ক্ষণিকের খেয়ালে নয়, দৃঢ় আন্তরিক ইচ্ছা নিয়ে কোনো মেয়ে যদি আগ্রহী হন ভালোবাসার সেতুবন্ধ গড়তে, তবে তাকেই চাইছি আমি নিজের করে। হ্যাঁ বিশেষ করে বৃহত্তর কক্সবাজারের উদার মনের কোনো মেয়েকে গভীর হয়ে ব্যাকুলিত অন্তরে প্রত্যাশা করছি। আশা করি, যে কোনো মেডিকেলের অবিবাহিতা মেয়ে হলে ভালো হবে। জানবেন আজ এই ক্ষণ থেকে আপনার চিঠির জন্য পথ চেয়ে অপেক্ষার প্রহর গুনতে শুরু করেছি। আশা করি আমার এ আহ্বান ব্যর্থ হবে না। চিঠির মধ্য দিয়ে খোলা মনে ভালোবাসার চিরস্থায়ী সম্পর্ক গড়তে কোনো মেয়ে অবশ্যই এগিয়ে আসবেন।

সাধন কৃষ্ণ সুশীল

মেসার্স এম কে মেডিকেল হল তেচ্ছিপুল

পোঃ + থানা- রামু, জেলা- কক্সবাজার

ফোনঃ ০১৮১৫-৬৭৪০৬৬

সব কিছু ভেঙে পড়ে

আমার খুব ইচ্ছা ছিল সাদা কাগজে একটা কবিতা তোমার হাতে দিয়ে আবার চলে আসব কবিতার টেবিলে। তাও হলো না।

তোমার কত কথা, কত স্মৃতি আবার মনে হচ্ছে। যাকে আমি বিশ্বাস করতাম না, যাকে আমি দেখলেই ভয় পেতাম, সে কি আর আমাকে ভালোবাসবে?

সত্যিই মনে পড়ে যায় সেই দিনের অপলক দৃষ্টিতে তাকিয়ে থাকা, আমার সঙ্গে কথা বলার জন্য দিন-তারিখ ঠিক করা। ভীষণভাবে মনে পড়ে আমার হাতে চিরকুট তুলে দেয়া।

অকস্মাৎ বৃষ্টির পদধ্বনি আমার কানে বেজে উঠল। বৃষ্টি এলো মুষলধারে। ধুয়ে-মুছে নিল সবকিছুই। মনে হচ্ছে শক্তভাবে তোমাকে ধরে রেখেছি। এছাড়া আমার যে কিছুই করার ছিল না, সব কিছুই হারিয়ে গেছে সেই দিনের বৃষ্টিতে।

আমি কখনো এত বড় বড় প্রশ্নের মুখোমুখি হইনি। আর পারিনি মন খুলে সব প্রশ্নের উত্তর দিতে। আমি মনের দিক থেকে পালিয়ে বাঁচার চেষ্টা করেছিলাম। কিন্তু কিছুই হলো না।

এতদিন পর আবার কেন তনুকা আমার দুয়ারে হানা দিল।

জীবন শাহ

কিশোরগঞ্জ

অপূর্ণ স্বপ্নের গল্প

পঞ্চমী, বুকভরা যন্ত্রণা নিয়ে এখনো রাতভর জেগে থাকি। চোখের জলে ভিজে ভিজে প্রায়শ্চিত্ত করি আমার একতরফা ভালোবাসার।

মনে পড়ে আমতলার বৈকালির আড্ডাগুলো…যুগলসঙ্গী হয়ে বেড়িবাঁধ দিয়ে রামের ডাঙা থেকে তুলাডাঙার ইউক্যালিপটাস বনে ঘুরে বেড়ানোর স্মৃতিগুলো? ঐতিহাসিক সেই করতোয়া ব্রিজ এখনো একইভাবে অতীত সঙ্গী হয়ে আছে…পড়্‌ন্ত বিকেলে আমরা যেখানে দাঁড়িয়ে ওই সীমান্তের ওপারের শিলিগুড়ি আর দার্জিলিংয়ের মধুচন্দ্রিমা যাপনের স্বপ্ন দেখতাম। অথচ তুমিহীনা আমি এখন একা একা স্বপ্নগুলোর কথা ভেবে ভেবে কেঁদে যাই অবিরল।

স. অ. নীলোৎপল অপু

পশ্চিম বোর্ড অফিস, ২নং কান্দিরপাড়া

শঙ্খনীড়, কুমিল্লা

হাজার তারার রাত

স্বপ্ন দেখবে, জোনাকির আলো জ্বেলে জোছনা রাতে হারিয়ে যাওয়ার গল্প। কল্পনার মতো গাঢ় হলুদ রঙের শাড়ি পরে আসবে তুমি, আমি তোমার কপালে বিশ্বাসের টিপ এঁকে দেব। সারারাত খুনসুটিতে হিংসুটে তারারা তোমার দিকে তাকাবে। তুমি লজ্জায় লাল হয়ে আমাকে চোখের ইশারায় মুগ্ধতার গল্প শোনাবে, হাসি আর দুরন্ত যৌবনে দু’জন ভেসে ভেসে চোখের কোনায় বিশ্বাসের স্নিগ্ধ কুটির বানাব। তারপর এক জনম, দুই জনম, হাজার জনম মিলেমিশে একাকার হয়ে যাব।

রানা ইব্রাহীম

০১৭১৭-১০৪৭৮৬