এসপিবি.এন নিউজ – অনলাইন ডেস্ক: আপনি যদি নারী হয়ে থাকেন তাহলে আপনার দেয়া একাট জিনিস যে কারো মনে ভালোলাগার সৃষ্টি করবে। দেবে প্রশান্তি ছোয়া। আপনাকে যে অপছন্দ করে তার পছন্দের মানুষ হবার প্রথম ধাপ ও এটা। কি বুঝতে পারছেন না? সেই অমূল্য জিনিসটা আর কিছুই না, সেটা হচ্ছে, ঠোঁটের কোণে এক চিলতে হাসি।

না বলুন হাসি মুখে: জীবনের নানা ক্ষেত্রে না বলাটাও খুব প্রয়োজন হয়ে দাড়ায়। অনেক সময় আসে যখন চরম বিরক্তির সম্মুখীন হতে হয়। কখনো তা অফিসে বা কখনো বন্ধুত্বের আড্ডায়। যে স্থানেই হোক, এক চিলতে হাসি নিয়েই না বলুন, বলুন আপনার বিরক্তির কথা। দেখবেন কাজে দিবে। এই একই কথা যদি রাগ করে বলেন হোক তা অফিসে বা বন্ধুদের আড্ডায় তবে আপনি সবার কাছে অপছন্দের মানুষ হয়ে যেতে পারেন। তাই না বা বিরক্তির কথা রাগ করে নয়, মুখে ছোট একটা হাসি রেখে বলেন।

গৃহে আনে সুখ: ব্যস্ত একঘেয়ে জীবনের ছাপ আমাদের গৃহে ও পড়ে। নানা দুশ্চিতায় কপালের ভাজ নিয়ে ঘর থেকে বের হই আবার নতুন কোনো দুশ্চিতা নিয়ে ঘরে ফিরি। তেমনিভাবে যারা ঘরে থাকেন, ঘরের কাজ নিয়ে হাসি মুখে কারো সঙ্গে কথা বলা হয়ে উঠে না। অফিসে যাওয়ার আগে, অফিস থেকে ফিরে দরজায় দাড়িয়ে দুই পক্ষই হাসিমুখে বিদায় দিয়েই দেখুন, সম্পর্কটা এক নিমিষে কেমন সতেজ হয়ে যাবে। সন্তান বিরক্ত করছে, রাগ না করে হাসি মুখে বুঝিয়ে বলুন, কাজে দিবে। আর সন্তান ও শিখবে সব কাজ রাগ দিয়ে না হলেও হাসি মুখে অনেক কিছু জয় করা যায়।

সুস্থতার জন্য হাসি: হাসি শরীর ও মনের জন্য খুব উপকারী। হাসিখুশি মানুষ শরীর ও মনের রোগ থেকে খুব সহজেই আরোগ্য লাভ করতে পারে। প্রতিদিন কমপক্ষে ৫ মিনিট হাসলে তা শরীরের জন্য অনেক উপকারী। হাসি মনকে প্রাণবন্ত রাখে, কাজে দেয় উদ্যম।

বন্ধুত্বের প্রতীক: হাসির মধ্যে খেলা করে তারুণ্য, আর তারুণ্য মানেই বন্ধুত্ব। হাসি হল সেই বন্ধুত্বের প্রতীক। ধরুন, আপনার তেমন কোনো বন্ধু নেই, কারণটা কি আপনি কারো বন্ধু হবার যোগ্য না? না, তা নয়। হয়তো আপনি চুপচাপ, কম কথা বলেন আর আপনি হাসি খুশি ভাবে মিশতে পারেন না। কম কথা বলা দোষের না, কিন্তু সবার প্রিয় হবার জন্য যে এক চিলতে হাসি ঠোটেঁর কোণে থাকা চাই।