এসপিবি.এন নিউজ – অনলাইন ডেস্ক: জমি কেনায় অনিয়মের অভিযোগে রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য ও উপ-উপাচার্যসহ চারজনের বিরুদ্ধে তদন্ত করতে কেন নির্দেশ দেওয়া হবে না তা জানতে চেয়ে রুল জারি করেছেন হাইকোর্ট।

বিচারপতি নাঈমা হায়দার ও বিচারপতি আবু তাহের মো. সাইফুর রহমানের বেঞ্চ এ নির্দেশ দেন। স্বরাষ্ট্রসচিব, আইজিপি ও দুদক চেয়ারম্যানকে আগামী চার সপ্তাহের মধ্যে রুলের জবাব দিতে বলা হয়েছে বলে জানিয়েছেন রিটকারী আইনজীবী।

এর আগে ঢাকায় রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের (রাবি) অতিথি ভবনের জন্য জমিসহ ইমারত কেনায় সরকারি ক্রয় নীতিমালা লঙ্ঘন করে গুরুতর জালিয়াতির অভিযোগ ওঠেছে। এক্ষেত্রে দরপত্র দাখিলকারী প্রতিষ্ঠানের দরপত্র বাতিল এবং পুনরায় দরপত্র আহ্বান ছাড়াই ১৩ কোটি ২৫ লাখ টাকার কেনা বেচায় (দলিল এবং চুক্তি সম্পাদন) অনিয়ম ও দুর্নীতিসহ নানা অসঙ্গতির মাধ্যমে অন্তত সাড়ে ৭ কোটি টাকা আত্মসাতের অভিযোগ উঠে।

রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের সাবেক এক শিক্ষার্থীর রিটের প্রাথমিক শুনানি নিয়ে এ আদেশ দেন ডেপুটি অ্যাটর্নি জেনারেল মোখলেসুর রহমান।

প্রসঙ্গত, চুক্তিপত্রে বলা হয়, ২০১৬ সালের ৮ সেপ্টেম্বর রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের সিন্ডিকেট সভায় জমির মালিক খালিদ মাহমুদের সঙ্গে আলোচনা হয়। সেখানে চূড়ান্তভাবে জমির মূল্য ১৩ কোটি ২৫ লাখ টাকা নির্ধারণ করা হয়। এতে জমির মূল্য ১১ কোটি টাকা এবং ভবন নির্মাণ ব্যয় ২ কোটি টাকা ধরা হয়। জমির প্রকৃত মূল্য উল্লেখ করে নিবন্ধন করতে গেলে বিশ্ববিদ্যালয় আর্থিকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হবে- এমন বিবেচনায় উভয়পক্ষের সম্মতিক্রমে জমি নিবন্ধনের সময় দলিলে জমির মূল্য সাড়ে তিন কোটি টাকা দেখানোর সিদ্ধান্ত হয়।