rangpur-rএসপিবি.এন নিউজ – অনলাইন ডেস্ক: সোহাগ গাজী, শহিদ আফ্রিদি, আরাফাত সানি ও আনোয়ার আলি- বোলিংয়ে দুর্দান্ত ছিলেন সবাই। এদের তোপের মুখে পড়ে প্রথম জয়ের সন্ধানে থাকা কুমিল্লা ভিক্টোরিয়ান্স প্রতিপক্ষ রংপুর রাইডার্সের বিপক্ষে বড় সংগ্রহ গড়তে পারেনি। শুক্রবার চট্টগ্রামে অনুষ্ঠিত ম্যাচে রংপুরের সামনে ১২৩ রানের মাঝারি মানের সংগ্রহ ছুঁড়ে দিতে সক্ষম হয়েছে মাশরাফি বিন মুর্তজার দল। সেই রান খুব সহজেই করে নিলো উত্তরাঞ্চলের দল রংপুর। ৯ উইকেটে হারিয়েছে কুমিল্লাকে। এই ম্যাচেও জয়ের দেখা মিললো না মাশরাফির।

বাংলাদেশ সময় সন্ধ্যা সোয়া ছয়টায় চট্টগ্রামের জহুর আহমেদ চৌধুরী স্টেডিয়ামে টস জিতে কুমিল্লাকে ব্যাটিংয়ের আমন্ত্রণ জানান রংপুরের অধিনায়ক নাঈম ইসলাম। শুরুতেই দুই উইকেট হারানোর পর অনেকটাই খোলসবন্দী হয়ে যায় কুমিল্লা। শেষ দিকে দারুণ চেষ্টা করেও তাই মাশরাফির দলকে নির্ধারিত ওভারে মাত্র ৫ উইকেট হারিয়ে ১২২ রানে আটকে যেতে হয়।

কুমিল্লার হয়ে আহমেদ শেহজাদ ৫২ রান করেন। ৪৫ বলে ৪টি চার ও ১টি ছক্কার সাহায্যে এই রান করেন তিনি। প্রথম ৩১ বলে ২০ রান করা মারলন স্যামুয়েলস শেষ বলে আউট হওয়ার আগে ৪৬ বলে করেন ৫২ রান। লিটন দাস ৪ ও ইমরুল ৫ রান করে ব্যর্থতাকে সঙ্গী করে আউট হয়েছেন।

রংপুরের হয়ে রুবেল দুটি এবং একটি করে উইকেট নেন সোহাগ ও আনোয়ার। আফ্রিদি কোনো উইকেট না পেলেও ৪ ওভারের স্পেলে মাত্র ১৮ রান দেন। সানি দেন ৩ ওভারে ১৯ রান।

জয়ের জন্য ১২৩ রানের লক্ষ্য নিয়ে খেলতে নেমে ১৮ বল হাতে রেখে সহজ জয় তুলে নেয় রংপুর। এ জন্য তাদের খোয়াতে হয় কেবল সৌম্য সরকারের উইকেটটি। সৌম্য করেন ২২ রান। পরে সেহজাদের অপরাজিত ৫১ ও মিথুনের অপরাজিত ৪৫ রানের উপর ভর করে জয়ের বন্দরে পৌছে যায় আফ্রিদিরা। একমাত্র উইকেটটি নেন মাশরাফি।

টস হেরে ব্যাট করতে নেমে দেখে-শুনেই খেলছিলেন কুমিল্লার দুই ওপেনার লিটন ও ইমরুল। তবে সোহাগ গাজীর করা তৃতীয় ওভারের প্রথম বলে ক্রিজ ছেড়ে বেরিয়ে এসে খেলতে গিয়ে লেগ বিফোরের ফাঁদে পড়ে সাজঘরে ফেরেন ইমরুল। ফলে হোঁচট খায় প্রথম জয়ের সন্ধানে থাকা কুমিল্লা।

শুরুতেই উইকেট হারানোর পর বেশ সাবধানী হয়ে ওঠেন শেহজাদ ও লিটন। তাদের ধীরগতির ব্যাটিংয়ের কারণে প্রথম ৫ ওভারে মাত্র ১৭ রান করতে সক্ষম হয় কুমিল্লা। রুবেল হোসেনের করা ষষ্ঠ ওভার থেকে চার নেয়ার পথে শেষ বলে লিটন রানআউট হয়ে গেলে হতশ্রী হয়ে পড়ে মাশরাফিদের ইনিংস।

১০ ওভারে ২ উইকেটে ৪৩ রান করা কুমিল্লা ৫০ রান স্পর্শ করতে ১১ ওভার ২ বল খেলে ফেলে। ১৩ ওভার শেষেও অবস্থার উন্নতি হয়নি; তখন মাশরাফিদের সংগ্রহ ছিল ৭০ রান। ১৫ ওভার শেষে সেটি দাঁড়ায় ৭৭ রানে; ১৬ ওভার শেষে ৮৪-তে।

হাফসেঞ্চুরি করার পর শেহজাদের কাছ থেকে মারমুখী ব্যাটিং দেখার অপেক্ষায় ছিল কুমিল্লা। তবে আনোয়ারের করা ১৭তম ওভারের দ্বিতীয় বলে তুলে মারতে গিয়ে আফ্রিদির হাতে ক্যাচ তুলে দিয়ে সাজঘরে ফিরে যান এই পাকিস্তানি রিক্রুট। ফলে হতাশা