shiriঘর সাজানোর বিষয়টা সাধারণভাবেই একটি শৈল্পিক বিষয়। প্রত্যেক মানুষই তার ঘরকে অন্যদের কাছে বেশ আকর্ষণীয় করে প্রকাশ করাতে চায়। তাছাড়াও ঘরের সাজসজ্জাও সেই বাসায় বসবাসরত মানুষদের রুচির প্রদর্শন করে।

বাসায় ঢুকার শুরুতেই সবার প্রথম নজর পড়ে ঘরের সিঁড়ির দিকে। তাই সিঁড়ির সাজটিও হওয়া প্রয়োজন তেমনি আকর্ষণীয়। সিঁড়ি দেখেই যেন, বাসায় আগত মেহমান আপনার সম্পর্কে ভালো মনোভাব বজায় রাখতে পারে। সেক্ষেত্রে অবশ্যই সিঁড়ির ব্যবস্থা একটু রুচিশীল হওয়া প্রয়োজন।

আপনার বাসায় সিঁড়ি যদি ঘরের ভিতরে হয়, তবে তো অবশ্যই তার সাজ আরও আকর্ষণীয় হতে হবে।  বাসা-বাড়ি কিংবা অফিসে ইউ শেপ, এল শেপ ও সার্কুলার সিঁড়িতে নান্দনিকতা ও কারুকার্যময় করতে রাস্টিক টাইলস, মার্বেল, গ্রানাইট ব্যবহার করা যেতে পারে। সিঁড়ি এবং সিঁড়ির পাশের পাশের দেয়ালে অফ হোয়াইট, অ্যাশ, গোলাপি, পেস্ট, আকাশিসহ বিভিন্ন হালকা রঙ করা থাকলে ভালো দেখাবে। সিঁড়ির মাঝে হালকা রং যেন মানুষের মনে প্রশান্তি আর শান্ত মনোভাবের তৈরি করতে পারে। সিঁড়ির রেলিংয়ে কাঠ, স্টিল, স্টেনলেস স্টিল, স্টিলের সাথে আবার কাচের রেলিং ব্যবহার করলে বাসার আভিজাত্য, নান্দনিকতা ও গাম্ভীর্য অনেকটা বেড়ে যায়।

তবে শুধু সিঁড়ি তৈরির সময় এতসব চিন্তা করে আকর্ষণীয় সিঁড়ি তৈরি করে নিলেই তো আর চলবে না। সিঁড়িকে রাখতে হবে সবসময় পরিষ্কার পরিচ্ছন্ন। সিঁড়ির অপরিচ্ছন্নতা আপনার প্রতি মানুষের চিন্তাধারাতে পরিবর্তন আনতে পারে। তাই সিঁড়িকে বেশ আকর্ষণীয়ভাবে সাজাতে না পারলেও সবসময় পরিষ্কার পরিচ্ছন্ন রাখতে হবে।

সিঁড়িকে সাজাতে সিঁড়ির আশেপাশে ছোট ছোট টব সাজানো যেতে পারে। টবে পাতাবাহার কিংবা ক্যাকটাস জাতীয় গাছ অথবা প্লাষ্টিকের গাছ দিয়ে সাজালে ভালো লাগবে। এছাড়াও সিঁড়ির পাশের দেয়ালে ঝুলিয়ে দেয়া যায় টেরাকোটা,পোড়া মাটির ফলক,তৈলচিত্র, বাঁধাই করা পরিবারের সঙ্গে তোলা পুরোনো কোনো ছবি। তাতেই দেখা যাবে ঘরের সিঁড়িতে চলে এসেছে এক নান্দনিক সৌন্দর্যতা।

খুব বেশী কিছু নয়, সিঁড়ি সাজাতে শুধু প্রয়োজন একটু শৌখিনতার। তাই সিঁড়িকে প্রথমেই রাখতে হবে পরিষ্কার পরিচ্ছন্ন। আর তারপর গাছ ও ছবির সাহায্যে সাজিয়ে ফেলা যায় আপনার সিঁড়ির নান্দনিক রূপ।