প্রোটেক্টিভ সেক্স, কথাটার সাথে প্রথমেই যে ব্যাপারটা আসে তা হল কনডম।বিয়ের আগের সেক্সে,প্রেগনেন্সি প্রিভেন্ট করার জন্যতো বটেই বিয়ের পরেও পরিবার পরিকল্পনার জন্য কনডমই বেশিরভাগ মানুষ পছন্দ করে। এছাড়া বিভিন্ন যৌন রোগ, বা sexually transmitted diseases (STD) প্রতিরোধে কনডম বেশ গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে। কনডম ব্যবহারের জন্য কিছু জিনিস জানা থাকা বেশ দরকার। এতে সেক্স করতে যেমন সুবিধা হবে তেমনি প্রায় ১০০% নিরাপদ সেক্সও নিশ্চিত করতে পারবেন।সোজা কথায় কনডম হল বিভিন্ন রকম পদার্থের তৈরি একধরনের কভার যা পেনিস এর উপরে পরা হয় সেক্সের সময়, যা ছেলেদের স্পার্মকে ভ্যাজায়না থেকে দূরে রেখে প্রেগনেন্সি ও STD প্রিভেন্ট করে। বিভিন্ন রকম কনডম আছে। ছেলে এবং মেয়ে উভয়ের জন্যই কনডম আছে। যেহেতু ছেলেদের কনডমই বেশি ব্যবহৃত হয় তাই মেইল কনডমের কথাই বলা হল এখানে।

স্পার্মিসিড (spermicide): এই কনডম গুলো লুব্রিকেটেড হয় এবং এগুলোর ভেতর স্পার্ম ধ্বংসকারী কেমিক্যাল থাকে।এগুলো ভ্যাজায়নাল সেক্সের উপযোগী হলেও ওরাল ও অ্যানাল সেক্সের উপযোগী নয়।

স্পার্মিসিড ফ্রি (spermicide free): যাদের স্পার্মিসিডে এলার্জি আছে তারা এই কনডম ব্যাবহার করতে পারে।কনডমের সাইড এফেক্ট এমনিতেই কম থাকে। এধরনের কনডমে সাইড এফেক্ট নেই বললেই চলে।

ল্যাটেক্স (latex): ল্যাটেক্স কনডম গুলোর ইলাস্টিসিটি অনেক বেশি বলে এগুলো প্রায় ৮০০% পর্যন্ত স্ট্রেচ করা যায়। এই কনডম গুলোই সবচেয়ে বেশি ব্যবহৃত হয়। তবে এগুলোর সাথে তেলধর্মী লুব্রিক্যান্ট ব্যাবহার করা যায় না, কারণ তেল ল্যাটেক্সকে ভেঙ্গে দিতে পারে।নন ল্যাটেক্স (non latex): অনেকের ল্যাটেক্সে এলার্জি থাকার কারণে নন ল্যাটেক্স কনডম ব্যাবহার হয়ে থাকে। এগুলো সাধারণতpolyurethane বা অন্যন্য সিন্থেটিক পদার্থের তৈরি হয়।এছাড়া প্রাকৃতিক ভ্যাড়ার চামড়া দিয়েও কিছু তৈরি হয়।

colored condoms - farbige kondomeকিভাবে কনডম ব্যবহার করবেন :

কনডম ব্যবহার বেশ সহজ,তাছাড়া কনডমের প্যাকেটেইইন্সট্রাকশন লেখা থাকে। তাও এব্যাপারে কিছু জিনিসজানা থাকা ভাল।

– কনডম ব্যবহারেরআগে এক্সপায়ারি ডেট দেখে নিন।এক্সপায়ারি ডেট পার হওয়া কনডমেরভেঙ্গে যাওয়ার সম্ভাবনা অনেকবেশি।

– ভ্যাজায়নার সাথে পেনিসের কোনরকম স্পর্শের আগেই কনডমপরে নেওয়া উচিত। কেননা স্পার্মআউট ছাড়াও প্রি-কাম-ফ্লুইড (pre-cum-fluid) বলে তরল পদার্থ পেনিসথেকে বের হয় যা ছেলেরা টের পায়না খুব একটা, কিন্তু তাতে ঠিকইস্পার্ম থাকে। তাই পুল আউটব্যাবস্থা, অর্থাৎ স্পার্ম আউটেরআগে পেনিস বের করে ফেলা কার্যকরনয় বাস্তবে। অবশ্যই কনডম ব্যবহারকরুন, প্রেগনেন্সি ও সকলঝামেলা এড়াতে চান যদি।

– প্রত্যেক ইরেকশনের জন্যএকটা কনডম ব্যাবহার করুন।

– প্যাকেট থেকে কনডম বের করারসময় সাবধান।ছিড়ে ফেললে বা ভেঙ্গে গেলে আরেকটা কনডমব্যবহার করুন। ভেঙ্গে যাওয়া কনডমকোন দিক থেকেই সেক্সকে নিরাপদকরে না।

– চাইলে কনডমের ভেতর এক দুইফোটা লুব্রিক্যান্ট দিতে পারেন।এতে কনডম পরতে যেমন সুবিধা হয়তেমনি তা ছেলেদের জন্যবেশি মজারও হয়।

– পেনিস পুরোপুরি দাড়ানোর পরই কনডম পরুন।

– সামনের দিকে আধা ইঞ্চির মতজায়গা রাখুন কনডমে স্পার্ম ধারনেরজন্য।

– সামনের দিকে বাতাসথাকলে তা হাতদিয়ে চেপে ভেতরে নিয়ে যানএবং পেনিসের উপর কনডম যতটুকুস্ট্রেচ হয় ততটুকু করুন। কোন বাতাসেরবুদবুদ থাকলে তা সমান করুন,এগুলো কনডম ভেঙ্গে ফেলতে পারে।কনডম পরার পর চাইলে লুব্রিক্যান্টদিতে পারেন উপরে সেক্স শুরুর সময়।

– পেনিস নরম হওয়ার আগেই কনডম সহ

পেনিস বের করে ফেলুন।

– কনডম খোলার সময় আরেকজন কনডমধরে রাখুন আরেক জন খুলুন,এতে স্পার্ম ছড়িয়ে পরবে না।

– কনডম টয়লেটে, কমডে ফ্লাশ না করাই ভাল। বাচ্চাদের নাগালের বাইরে কোন ট্র্যাশ বিনে ফেলুন।কনডম একবার খোলার পর পেনিস ভালকরে সাবান ও পানি দিয়ে ধুয়ে নিন,আরেকবার ভ্যাজায়নাতে ঢুকানোরআগেই।