i-pillঅনিরাপদ শারীরিক সম্পর্কহলে জরুরি ভিত্তিতে জন্মনিয়ন্ত্রণ পদ্ধতির আশ্রয় নিতে হয়। কনডম ছিঁড়ে গেলে প্রস্তুতিবিহীন শারীরিক সম্পর্ক হলে অনেকে বিচলিত হয়ে পড়েন। ইমার্জেন্সি পিলে নরমাল পিলের মতো হরমোন থাকে। তবে এতে হরমোনের পরিমাণ বেশি থাকে। দুর্ঘটনার ৭২ ঘণ্টার মধ্যে প্রথম ডোজ ট্যাবলেট খেতে হয়।
প্রথম ডোজ খাওয়ার ১২ ঘণ্টা পর দ্বিতীয় ডোজ খাওয়াতে হয়।কপার-টি ৩৮০ ডিভাইস ইউটেরাসে ব্যবহার করেও ইমার্জেন্সি জন্মনিয়ন্ত্রণ করা যায়।পিলের থেকে এটা অধিক কার্যকর এবং দুর্ঘটনার সাতদিনের মধ্যে এটা ব্যবহার করতে হয়।
উল্লেখ্য,ইমার্জেন্সি পিলের সফলতার হার ৫৫-৯৪ এবং কপার-টি ৩৮০-এর ক্ষেত্রে তা ৯৯ ভাগ। যারাইতিমধ্যে কনসিভ করে ফেলেছেন তাদের ক্ষেত্রে ইমার্জেন্সি এসব পদ্ধতি কোনো ভূমিকা রাখতে পারে না।